MBBS, BCS (Health), MD (Cardiology)
BMDC Reg. No: A-83474
ঘরে বসেই অনলাইনে বা সরাসরি সিরিয়াল নিন। আমরা দ্রুত নিশ্চিত করব।
কার্ডিয়াক কেয়ার সেন্টার
রোড ১২, বাড়ি ৫, ব্লক-ক
বনানী, ঢাকা-১২১৩।
হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরঃ ০১৯৫৬৩২৯১৩৬
মেসেজ দিয়ে সিরিয়াল কনফার্ম করুন।
নিচের তথ্য পূরণ করুন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিতকরণ পাবেন।
হৃদরোগ একটি সাধারণ নাম যা বিভিন্ন ধরনের হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালীর রোগকে বোঝায়।
হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী ধমনীতে চর্বি জমে সংকুচিত হয়ে পড়ে, যার ফলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত পাম্প করতে ব্যর্থ হয়। শ্বাসকষ্ট, পা ফুলে যাওয়া এবং ক্লান্তি প্রধান লক্ষণ।
হৃৎপিণ্ডের ছন্দ অনিয়মিত হয়ে পড়ে। অনেক সময় হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত বা খুব ধীর হয়।
হৃৎপিণ্ডের ভাল্বগুলো ঠিকমতো কাজ করতে পারে না — হয় সংকুচিত হয় বা রক্ত পিছিয়ে পড়ে।
হৃৎপিণ্ডের চারপাশের আবরণে প্রদাহ হয়। বুকে তীব্র ব্যথা এবং জ্বর প্রধান লক্ষণ।
হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি দুর্বল বা মোটা হয়ে যায়। এর ফলে রক্ত পাম্প করার ক্ষমতা কমে যায়।
নিচের ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকুন। সময়মতো পদক্ষেপ নিলে হৃদরোগ প্রতিরোধ সম্ভব।
ধূমপান রক্তনালীর দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি করে।
দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপিণ্ড ও ধমনীর উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ধমনীতে প্লাক জমায় যা রক্ত প্রবাহ বাধা দেয়।
অনিয়ন্ত্রিত রক্তের শর্করা হৃদরোগের ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বৃদ্ধি করে।
বাড়তি ওজন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণ হতে পারে।
নিয়মিত ব্যায়াম না করলে হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে।
বাবা-মা বা ভাই-বোনের হৃদরোগ থাকলে আপনার ঝুঁকি বেশি থাকে।
এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কিছু লক্ষণ জরুরি চিকিৎসার ইঙ্গিত।
বুকের মাঝখানে বা বাম দিকে ভারী অনুভূতি বা তীব্র ব্যথা
⚠️ জরুরিসামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে পড়া বা শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট
⚠️ জরুরিহঠাৎ মাথা ঘোরা, চোখে অন্ধকার দেখা বা জ্ঞান হারিয়ে ফেলা
⚠️ জরুরিপায়ে অতিরিক্ত পানি জমে ফুলে যাওয়া
⚡ মাঝারিহৃদয় দ্রুত বা ধীরে ধড়ফড় করা, বিট মিস করা
⚡ মাঝারিঠান্ডা ঘাম, বিশেষত বুকের ব্যথার সাথে যদি হয়
⚠️ জরুরিবুকের ব্যথার সাথে বমি বা বমি বমি ভাব
⚡ মাঝারিঅল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়া
✅ নজর রাখুনহৃদরোগের লক্ষণ দেখা দিলে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অবিলম্বে বিশ্রাম নিন — যা করছিলেন থামুন এবং শান্ত থাকার চেষ্টা করুন।
জরুরি সেবায় কল করুন — ৯৯৯ বা নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
আঁটসাঁট পোশাক ঢিলা করুন — শ্বাস নিতে যেন অসুবিধা না হয়।
নিয়মিত ওষুধ খান — চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নির্ধারিত সময়মতো গ্রহণ করুন।
নিয়মিত চেকআপ করুন — রক্তচাপ, রক্তের শর্করা ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন।
একা গাড়ি চালাবেন না — অন্যকে সাথে নিন বা অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন।
ধূমপান করবেন না — এটি অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে।
অতিরিক্ত পরিশ্রম করবেন না — সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকুন।
ওষুধ নিজে বাড়াবেন বা কমাবেন না — চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া।
মানসিক চাপ নেবেন না — শান্ত থাকুন এবং পরিবারের সাথে থাকুন।
বুকে তীব্র ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রতিটি মিনিট মূল্যবান!
📞 ৯৯৯ এ কল দিনসুষম জীবনযাপন এবং সচেতনতাই হৃদরোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
তাজা শাকসবজি, ফলমূল, সম্পূর্ণ শস্য ও কম চর্বিযুক্ত প্রোটিন খান। লবণ ও চিনি সীমিত করুন।
প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম করুন। হাঁটা, সাঁতার বা সাইকেল চালানো উপকারী।
ধূমপান বন্ধ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি দ্রুত কমতে শুরু করে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।
প্রতিরাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের অভাব হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
মেডিটেশন, যোগব্যায়াম বা পছন্দের কাজের মাধ্যমে স্ট্রেস কমান। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটান।
প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।
বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও রক্তের শর্করা পরীক্ষা করুন।
BMI ১৮.৫-২৪.৯ এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। ধীরে ধীরে ওজন কমান, দ্রুত নয়।
হৃদরোগের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল কমানো এবং রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
সংকুচিত ধমনী বেলুন দিয়ে প্রসারিত করে স্টেন্ট বসানো হয় — কোনো কাটাছেঁড়া ছাড়াই।
বাধাগ্রস্ত ধমনীর পাশ দিয়ে নতুন রক্তপথ তৈরি করা হয়। জটিল হৃদরোগে কার্যকর।
হৃদস্পন্দন নিয়মিত রাখতে পেসমেকার বা হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট প্রতিরোধে ICD ব্যবহার করা হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত হার্ট ভাল্ব মেরামত বা কৃত্রিম ভাল্ব দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়।
হার্ট অ্যাটাক বা সার্জারির পর হৃৎপিণ্ড পুনরুদ্ধারে বিশেষ ব্যায়াম ও জীবনধারা পরিবর্তন।
হৃদরোগ সম্পর্কে রোগীদের সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর।
কার্ডিয়াক কেয়ার সেন্টার, রোড ১২, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
০১৯৫৬-৩২৯১৩৬
sadia@cardionucleus.com
রবি–বুধবার: বিকাল ৪.০০ – রাত ৯.০০